Home রাজনীতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত কলকাতার বেকার হোস্টেল পরিদর্শনে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত কলকাতার বেকার হোস্টেল পরিদর্শনে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন

0
492
ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন

নিউজ ডেস্কঃ বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত কলকাতার বেকার হোস্টেল পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন। কলকাতার তালতলার স্মিথ লেনে অবস্থিত সরকারি বেকার হোস্টেলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।’ ভারতবর্ষের রাজনীতির অবিস্মরণীয় সব ইতিহাস বেকার হোস্টেলকে সমৃদ্ধ করেছে। সেই বেকার হোস্টেলকে আরো বেশি স্মরণীয় বরণীয় করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন বেকার হোস্টেল পরিদর্শন করেন।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন তাঁর ফেসবুক আইডি থেকে একটি লাইভ করেন।উক্ত লাইভে বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত সকল সামগ্রীর বিবরণ তুলে ধরেন রুহুল আমিন।এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত কলকাতার বেকার হোস্টেল পরিদর্শনে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর দাবি জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন বলেন,“জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত কলকাতার এ বেকার হোস্টেল পরিদর্শন করতে অনেকেই আসতে চায়।তবে,এখানকার আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারনে উক্ত স্থানটিতে কেউ প্রবেশ করার অনুমতি পায় না।আমি নিজেও অনেক কষ্ট করে আমাদের বাংলাদেশ দূতাবাসের অনুমতি পেয়েছি।তাই,আমি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর দাবি জানাচ্ছি।তবে এতো কিছুর পরেও আমি অবশেষে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত কলকাতার এ বেকার হোস্টেল পরিদর্শন করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি।” ভিডিও লিংক- https://www.facebook.com/rahulam1/videos/10217818935818336/

১৯১০ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয় এই বেকার হোস্টেল।এটি সরকারি ছাত্রাবাস।বঙ্গবন্ধু কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে ডিগ্রিতে পড়ার সময় এই বেকার হোস্টেলে ছিলেন ১৯৪৫-৪৬ সালে।তিনি ২৪ নম্বর কক্ষে ছিলেন। সেদিনকার এই ইসলামিয়া কলেজের নাম পরিবর্তন করে এখন নামকরণ করা হয়েছে মৌলানা আজাদ কলেজ। ১৯৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে বেকার হোস্টেলের ২৩ ও ২৪ নম্বর কক্ষ নিয়ে গড়া হয় বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষ। এই স্মৃতিকক্ষে এখনো রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত খাট, চেয়ার, টেবিল ও আলমারি। তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ২৪ নম্বরের পাশের ২৩ নম্বর কক্ষটিকে যুক্ত করে স্মৃতিকক্ষ গড়ার উদ্যোগ নেন। সেই হিসেবে ১৯৯৮ সালের ৩১ জুলাই বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক সত্যসাধন চক্রবর্তী।

Facebook Comments
Load More Related Articles
Load More By Newsbd24hour.com
Load More In রাজনীতি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

ক্লাবগুলোতে রমরমা ক্যাসিনো ব্যবসা,নিশ্চুপ কেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়?

বাংলাদেশে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ‘ক্যাসিনো অভিযান’ নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা চলছ…